মূল কন্টেন্টে যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ

পুরনো ভবনের সংস্কার কাজ করতে গিয়ে ১২৭ কোটি টাকার গুপ্তধনের সন্ধান

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ পঠিত: ৯ বার

বেলজিয়ামের পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স অঞ্চলে একটি পুরনো ভবনের সংস্কার কাজের অংশ হিসেবে নর্দমার নালা খুঁড়তে গিয়ে প্রায় ৯০ লাখ ইউরো (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা) মূল্যের এক বিশাল গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়া গেছে। গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে খণ্ডকালীন নির্মাণশ্রমিকের কাজ করতে আসা কোবে নামের এক ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী এই মহামূল্যবান সোনা আবিষ্কার করেন।

মঙ্গলবার দেশটির পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স অঞ্চলের ডেন্ডারমন্ড শহরের একটি ভবনে সংস্কারকাজের সময় সোনার সন্ধান পান শ্রমিকেরা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, নির্মাণশ্রমিকেরা ‘বিপুল পরিমাণ সোনা’ পাওয়ার পর তাদের খবর দেন। পরে পুলিশ তাদের ফেসবুক পেজে প্রায় ৫০টি সোনার বার এবং স্তূপ করে রাখা সোনার মুদ্রার ছবি প্রকাশ করে।

বেলজিয়ামের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রায় ৯০ লাখ ইউরো বা ১ কোটি ৪ লাখ ডলার মূল্যের সোনার বার ও মুদ্রা একটি বাড়ির ভূগর্ভস্থ কক্ষের দেয়ালের মধ্যে ইটের আড়ালে লুকানো ছিল। বাড়িটি স্থানীয় দাতব্য সংস্থা সিএডব্লিউ ইস্ট-ফ্ল্যান্ডার্সের মালিকানাধীন।

বেলজিয়ামের সংবাদমাধ্যম ভিআরটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক শ্রমিক জানান, সোনা পাওয়ার পর তাদের ‘প্রথম প্রতিক্রিয়াই ছিল অবিশ্বাস ও বিস্ময়।

কোবে নামে পরিচয় দেওয়া ওই শ্রমিক বলেন, ‘পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য পাইপ বসাতে মাটি খোঁড়ার সময় আমরা এগুলোর সন্ধান পাই। সেখানে সোনা পাওয়া যাবে—এটা আমরা কোনোভাবেই আশা করিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা সোনাগুলো দ্রুত তালিকাভুক্ত করে সরকারি ফেডারেল সার্ভিসের সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার একটি ভল্টে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

সোনা উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ওই এলাকায় গুপ্তধন সন্ধানীদের আনাগোনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ। নিজেদের ফেসবুক পোস্টে পুলিশ জানিয়েছে, ‘দেখা যাচ্ছে, বেশ কয়েকজন গুপ্তধন সন্ধানী আবারও ওই জায়গায় যেতে চাইছেন।

সোনার সন্ধান পাওয়ার পর পুলিশ বিভাগটি তাদের প্রোফাইল ছবিও একটি সোনার মুদ্রার ছবি দিয়ে পরিবর্তন করেছে।

তবে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ সোনার প্রকৃত মালিক কে এবং কেউ আইনগতভাবে এর মালিকানা দাবি করে সোনা নিজের কাছে রাখতে পারবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

পুলিশ তাদের পোস্টে বলেছে, ‘আশা করি, এই গুপ্তধন শেষ পর্যন্ত সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছাবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *