মূল কন্টেন্টে যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ

নড়াইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ পঠিত: ১১ বার
নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় তুলি বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যা করে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী রবিন মোল্যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত রবিন মোল্যা (২৫) ওই গ্রামের সাকায়েত মোল্যার ছেলে। নিহত তুলি বেগম একই ইউনিয়নের মোচড়া গ্রামের ইলিয়াস শেখের মেয়ে।
নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে রবিন মোল্যার সঙ্গে তুলি বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর বিভিন্ন সময় যৌতুকের টাকার জন্য রবিন তার স্ত্রীকে চাপ দিতেন বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
পরিবারের দাবি, একপর্যায়ে তুলির বাবা ইলিয়াস শেখ জামাইকে ৫০ হাজার টাকা দেন। এরপরও রবিন আবারও টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়।
নিহতের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে রবিন ও তুলির মধ্যে ঝগড়া হয়। পরদিন ভোরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তুলির মরদেহ উদ্ধার করে।
তুলির বাবা ইলিয়াস শেখের অভিযোগ, তার মেয়ের গলা, কান, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যৌতুকের টাকার জন্য রবিন ও তার পরিবারের সদস্যরা তুলিকে হত্যা করে পরে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখেছেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও তার মেয়ের মৃত্যুর সঠিক বিচার দাবি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে রবিন মোল্যার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *