মূল কন্টেন্টে যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ

এবার ‘আক্রমণাত্মক’ সামরিক নীতি গ্রহণ করছে ইরান

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬ পঠিত: ১১ বার

সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের সামরিক নীতিতে বড় পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে ইরান। এতদিনের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে সরে এসে আরও আক্রমণাত্মক সামরিক কৌশল গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।

শনিবার (২২ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, দেশের ১২ দিন ও ৪০ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে তাদের সামরিক কৌশলে এই পরিবর্তন এসেছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে দ্রুত ও ব্যাপক পাল্টা জবাব দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে আগাম প্রতিরোধমূলক অভিযান চালানোই নতুন সামরিক কৌশলের মূল লক্ষ্য।

মার্কিন স্থল হামলার আশঙ্কার কথাও জানান আকরামিনিয়া। তিনি বলেন, মার্কিন সেনাদের হত্যা বা বন্দী করার জন্য বিশেষ পুরস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তার দাবি, সশস্ত্র বাহিনীর কোনো সদস্য বা বৈধভাবে অস্ত্রের মালিক যেকোনো নাগরিক মার্কিন সেনাকে হত্যা বা বন্দী করতে পারলে তাকে ৫ বিলিয়ন তোমান, অর্থাৎ প্রায় ২৬ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। কোনো নারী এই কাজ করলে পুরস্কারের অর্থ দ্বিগুণ করে ১০ বিলিয়ন তোমান বা প্রায় ৫৩ হাজার ডলার দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি মূল মূল্যের দ্বিগুণ দামে কিনে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। পরে সেই অস্ত্রটি মূল মালিকের নামে একটি সামরিক জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে এবং তাকে নতুন একটি বিকল্প অস্ত্র দেওয়া হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব নাটকীয়ভাবে কমে গেছে বলেও দাবি করেন ইরানি সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি স্বতন্ত্র প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

আকরামিনিয়ার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছাড়া গঠিত এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং এটি অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রভাব কমে যাওয়ার প্রমাণ।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *