সোনাতলায় বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি হওয়ায় স্বপ্ন ডুবল কৃষকের

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:53:25 pm, Tuesday, 21 July 2026
  • 5 Time View

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি:- বগুড়ার সোনাতলায় অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে নদ-নদীতে আকস্মিক পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে যমুনা নদীতে বিপদসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও ওই উপজেলার ৬.৭ হেক্টর জমির আমন ধানের বীজতলা সহ শত শত একর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল তলিয়ে যাওয়ায় কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে। যমুনা ও বাঙালি নদী বেষ্টিত উপজেলা হচ্ছে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা।

জেলা সদর থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার উত্তরে উপজেলাটির অবস্থান। শিক্ষাদিক্ষায় অন্য উপজেলার চেয়ে পিছিয়ে না থাকলেও এই উপজেলার প্রায় ৮৫ ভাগ মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত। ওই উপজেলার নদীকূলীয় এলাকার শত শত একর জমির বিভিন্ন ধরনের ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তাদের স্বপ্ন যেন ধুলিস্যাত হয়েছে। বিশেষ করে ওই উপজেলার তেকানীচুকাইনগর, পাকুল্যা ও সোনাতলা সদর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি চরের শত শত একর জমির ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকের স্বপ্ন ধুলিস্যাত হয়েছে।

এ বিষয়ে খাবুলিয়া এলাকার আব্দুস সাত্তার, জন্তিয়ারপাড়া এলাকার আফতাব হোসেন, দাউদিয়ার পাড়া এলাকার জামিরুল ইসলাম, ভিকনের পাড়া এলাকার এন্তেজার রহমান, তেকানী এলাকার ছালজার রহমান বেপারী বলেন, আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ফসল নষ্ট হয়েছে। এতে করে কৃষকের আর্থিক ভাবে মেরুদন্ড ভেঙে পড়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, আকস্মিক বন্যায় নিম্নাঞ্চলের আউস আমান ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। ওই উপজেলার ৬.৭ হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট হয়েছে। এছাড়াও অর্থকরী ফসল পাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কিছু কিছু এলাকার কৃষক ইতিমধ্যেই পানির মধ্য থেকে পাট কেটে ফেলেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

জোড়ালো হচ্ছে ইরানে স্থল হামলা চালানোর যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা

সোনাতলায় বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি হওয়ায় স্বপ্ন ডুবল কৃষকের

Update Time : 07:53:25 pm, Tuesday, 21 July 2026

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি:- বগুড়ার সোনাতলায় অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে নদ-নদীতে আকস্মিক পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে যমুনা নদীতে বিপদসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও ওই উপজেলার ৬.৭ হেক্টর জমির আমন ধানের বীজতলা সহ শত শত একর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল তলিয়ে যাওয়ায় কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে। যমুনা ও বাঙালি নদী বেষ্টিত উপজেলা হচ্ছে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা।

জেলা সদর থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার উত্তরে উপজেলাটির অবস্থান। শিক্ষাদিক্ষায় অন্য উপজেলার চেয়ে পিছিয়ে না থাকলেও এই উপজেলার প্রায় ৮৫ ভাগ মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত। ওই উপজেলার নদীকূলীয় এলাকার শত শত একর জমির বিভিন্ন ধরনের ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তাদের স্বপ্ন যেন ধুলিস্যাত হয়েছে। বিশেষ করে ওই উপজেলার তেকানীচুকাইনগর, পাকুল্যা ও সোনাতলা সদর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি চরের শত শত একর জমির ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকের স্বপ্ন ধুলিস্যাত হয়েছে।

এ বিষয়ে খাবুলিয়া এলাকার আব্দুস সাত্তার, জন্তিয়ারপাড়া এলাকার আফতাব হোসেন, দাউদিয়ার পাড়া এলাকার জামিরুল ইসলাম, ভিকনের পাড়া এলাকার এন্তেজার রহমান, তেকানী এলাকার ছালজার রহমান বেপারী বলেন, আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ফসল নষ্ট হয়েছে। এতে করে কৃষকের আর্থিক ভাবে মেরুদন্ড ভেঙে পড়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, আকস্মিক বন্যায় নিম্নাঞ্চলের আউস আমান ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। ওই উপজেলার ৬.৭ হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট হয়েছে। এছাড়াও অর্থকরী ফসল পাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কিছু কিছু এলাকার কৃষক ইতিমধ্যেই পানির মধ্য থেকে পাট কেটে ফেলেছে।