কলারোয়ায় নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির ক্রেতা সাধারণের নাভিশ্বাস

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:53:26 pm, Saturday, 25 July 2026
  • 5 Time View

কলারোয়া ( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:- কলারোয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বল্প আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বেগুন, কাঁচা মরিচ পেঁয়াজ,রসুন,আলু, পটল ,কলা সহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে গ্রামের শ্রমজীবী মানুষ ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।

এতে করে ক্রেতা সাধারণ পণ্য ক্রয় করতে হিমশিম খাচ্ছে । অবিরাম বৃষ্টির কারণে গ্রামের মানুষের কাজ না থাকায় মানবতার জীবন যাপন করতে হচ্ছে। তারপর আবার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ খেটে খাওয়া গরীব মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

জানা যায় কিছুদিন আগের থেকে শাকসবজি সহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য দিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে ।বেগুনের দাম কেজি প্রতি ১০০টাকা থেকে১৫০টাকা , কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি ১০০টাকা থেকে১২০টাকা, রসুন কেজি প্রতি ১৫০টাকা, পটল কেজি প্রতি ২০থেকে ৪০টাকা,আলু কেজি প্রতি২০থেকে৩০টাকা ,ডেরস ৪০থেকে৫০টাকা, পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বয়লার মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০টাকা, পল্টি মুরগি ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালী মুরগি ২৮০থেকে ৩০০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে ও অস্থিরতা দেখা গেছে। মাছ ব্যাবসায়ীরা জানান সরবরাহ কম থাকায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে রেজাউল নামক এক ক্রেতা জানান , বাড়ি থেকে বাজার করার জন্য টাকা নিয়ে এসে দাম বাড়ার কারণে প্রয়োজনীয় জিনিস না কিনে ফিরে যেতে হচ্ছে। শাকদাহ বাজারে সবজি বিক্রেতা শামসুর জানান,মোকাম থেকে শাকসবজি বেশি দামে কেনা তাই বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতা সাধারণের ধারণা বাজার গুলোতে সঠিক মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় এ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মূল কারণ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

জোড়ালো হচ্ছে ইরানে স্থল হামলা চালানোর যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা

কলারোয়ায় নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির ক্রেতা সাধারণের নাভিশ্বাস

Update Time : 05:53:26 pm, Saturday, 25 July 2026

কলারোয়া ( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:- কলারোয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বল্প আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বেগুন, কাঁচা মরিচ পেঁয়াজ,রসুন,আলু, পটল ,কলা সহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে গ্রামের শ্রমজীবী মানুষ ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।

এতে করে ক্রেতা সাধারণ পণ্য ক্রয় করতে হিমশিম খাচ্ছে । অবিরাম বৃষ্টির কারণে গ্রামের মানুষের কাজ না থাকায় মানবতার জীবন যাপন করতে হচ্ছে। তারপর আবার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ খেটে খাওয়া গরীব মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

জানা যায় কিছুদিন আগের থেকে শাকসবজি সহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য দিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে ।বেগুনের দাম কেজি প্রতি ১০০টাকা থেকে১৫০টাকা , কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি ১০০টাকা থেকে১২০টাকা, রসুন কেজি প্রতি ১৫০টাকা, পটল কেজি প্রতি ২০থেকে ৪০টাকা,আলু কেজি প্রতি২০থেকে৩০টাকা ,ডেরস ৪০থেকে৫০টাকা, পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বয়লার মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০টাকা, পল্টি মুরগি ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালী মুরগি ২৮০থেকে ৩০০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে ও অস্থিরতা দেখা গেছে। মাছ ব্যাবসায়ীরা জানান সরবরাহ কম থাকায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে রেজাউল নামক এক ক্রেতা জানান , বাড়ি থেকে বাজার করার জন্য টাকা নিয়ে এসে দাম বাড়ার কারণে প্রয়োজনীয় জিনিস না কিনে ফিরে যেতে হচ্ছে। শাকদাহ বাজারে সবজি বিক্রেতা শামসুর জানান,মোকাম থেকে শাকসবজি বেশি দামে কেনা তাই বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতা সাধারণের ধারণা বাজার গুলোতে সঠিক মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় এ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মূল কারণ।