আল মোজাহিদ বাবু , বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
দেখতে দেখতে কেটে গেছে তার জীবনের ৩২টি বছর। ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি কখন যে মরণ অসুখ বাসা বেঁধেছে তার কিডনিতে। যখন টের পেলেন তখন তার দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাররামরামপুর ইউনিয়নের ঝাউডাংগা গ্রামের মেহের জামালের তৃতীয় ছেলে আরিফুর রহমান আজ জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে। তার দুচোখে মুঠো মুঠো স্বপ্নের বদলে শুধুই মৃত্যুর বিভীষিকা। চোখ বুঝে অবসন্ন শরীর নিয়ে জীবনকে মহাকালের কাছে সোপর্দ করার দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছেন আরিফুর।
তার মধ্যে এখন বেঁচে থাকার তীব্র আকুতি। নিজের জন্য নয়, ৩ বছরের একটি সন্তানের জন্য হলেও বাঁচতে চান আরিফুর । পরিবার কিংবা স্বজনদের সামর্থ্য নেই এত অর্থ ব্যয় করে তাকে বাঁচিয়ে রাখার। তারপরও তার পরিবারের চেষ্টার কমতি নেই।
নিরূপায় হয়ে আরিফুরকে বাঁচাতে সমাজের সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তার স্ত্রী মিজানুর রহমান জুয়েল। আরিফুর তিনি ঢাকায় একটা গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন।
আরিফুর বলেন, ২০২৫ সালে জানুয়ারি মাসে অসুস্থ হয়ে পড়লে সিকেডি এন্ড নিউরোলজি ঢাকার একটি হাসপাতালে দেখালে সেখানে কিডনি বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন আমার দু’টি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে।
টাকার অভাবে চিকিৎসা না করাতে পেরে দিন দিন আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে রক্ত দিতে হচ্ছে। আমি মারা গেলে আমার ছোট্ট সন্তান এতিম হয়ে যাবে। ওরা কি খাবে কি করবে? সমাজের ধনী ব্যক্তিদের কাছে আমার আকুল আবেদন আমার ছোট সন্তানের কথা চিন্তা করে হলেও আমাকে একটু সাহায্য করুন।
স্বামীকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তি ও প্রবাসীদের সাহায্য কামনা করেছেন আরিফুরের স্ত্রী।
Reporter Name 














