আন্তর্জাতিক সেমিনারে ‘সেরা পারফর্মার’ কেন্দুয়ার শাহ্ মো. ফজলে খুদা (লিপটন)
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের দক্ষ ও মেধাবী পেশাজীবী হিসেবে নিজের যোগ্যতার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন রবি বাংলাদেশের ডিরেক্টর শাহ্ মো. ফজলে খুদা (লিপটন)।
চলতি মাসের ৩ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সেমিনার ‘Converged Telecommunications Policy and Regulations’-এ অংশ নিয়ে অসাধারণ প্রেজেন্টেশন, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সার্বিক পারফরম্যান্সের জন্য তিনি ‘Best Performer’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
মর্যাদাপূর্ণ এ অর্জন তাঁর দীর্ঘ পেশাজীবনের সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক যুক্ত করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এ স্বীকৃতিতে পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের সৃষ্টি হয়েছে।
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে টেলিযোগাযোগ নীতি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশ, ডিজিটাল যোগাযোগের পরিবর্তনশীল বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতের টেলিযোগাযোগ খাত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। বিভিন্ন দেশের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীরা এতে অংশ নেন।
সেমিনারে শাহ্ মো. ফজলে খুদা তাঁর প্রেজেন্টেশনে টেলিযোগাযোগ খাতের ওপর গভীর জ্ঞান, দীর্ঘদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং বিশ্লেষণী দক্ষতার সমন্বয় ঘটান। জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তিনি সাবলীল, তথ্যসমৃদ্ধ ও প্রাসঙ্গিকভাবে উপস্থাপন করেন।
তাঁর আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য, সময়োপযোগী বিশ্লেষণ এবং বিষয়বস্তুর ওপর সুস্পষ্ট দখল অংশগ্রহণকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সক্রিয় অংশগ্রহণ ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনার পাশাপাশি সার্বিক পারফরম্যান্সের মূল্যায়নেই তাঁকে ‘Best Performer’ হিসেবে মনোনীত করা হয়।
শাহ্ মো. ফজলে খুদার এ আন্তর্জাতিক অর্জনে তাঁর পরিবারে বইছে আনন্দের আবহ।
পরিবারের পক্ষে তাঁর আপন চাচাতো ভাই দি-প্রিমিয়ার ব্যাংক (পিএলসি) এর সিনিয়র এ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহ্ মো. বাকী বিল্লাহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানান, আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই শাহ্ মো. ফজলে খুদা (লিপটন) একজন বাংলাদেশি পেশাজীবী হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিসরে এমন স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের বিষয়, আমি মনে করি এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, কর্মের প্রতি নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ, অধ্যবসায় ও পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের নিরন্তর প্রচেষ্টা। কর্মক্ষেত্রে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি এবং পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতাও তাঁর এ অর্জনের অন্যতম কারণ।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন বাংলাদেশি পেশাজীবীর এমন স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, দেশের মেধাবী ও দক্ষ পেশাজীবীদের জন্যও অনুপ্রেরণার বার্তা বহন করে।
বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতার এ সময়ে জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের পেশাজীবীরাও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন—শাহ মো. ফজলে খুদার এ অর্জন তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তির মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক খাতে তাঁর এ স্বীকৃতি বাংলাদেশের পেশাজীবীদের সক্ষমতাকে আরও দৃশ্যমান করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিবার, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রত্যাশা, শাহ্ মো. ফজলে খুদা (লিপটন) তাঁর মেধা, কর্মনিষ্ঠা, সততা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণ কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবেন। দেশের টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতেও তাঁর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন—এমন প্রত্যাশা তাঁদের।
কুয়ালালামপুরের আন্তর্জাতিক সেমিনারে ‘Best Performer’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া শাহ্ মো. ফজলে খুদার জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি তাঁর পরিবার ও দেশের জন্যও আনন্দ ও গর্বের।
মেধা, যোগ্যতা ও কর্মনিষ্ঠার সমন্বয়ে তাঁর সাফল্যের এ পথচলা আরও দীর্ঘ ও উজ্জ্বল হোক—এমন প্রত্যাশায় তাঁকে জানিয়েছেন পরিবার, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।
পারিবারিক পরিচয়ে জানা যায়, তাঁর বংশধর মূলত পীরবংশ। হযরত মাওলানা ক্বারী শাহ্ সূফী ছৈয়দ আলী আহমেদ (রহঃ) ফজলে খুদার দাদা হুজুর ছিলেন, যিনি ১৯৮৫ সালের ৮ই ডিসেম্বর হাজার হাজার আশেকান, ভক্ত বৃন্দ ও পরিবার পরিজনদের কাঁদিয়ে ইহ মায়া ত্যাগ করেন।
হযরত মাওলানা ক্বারী শাহ্ সূফী ছৈয়দ আলী আহমেদ (রহঃ) এঁর তিন সন্তান হলেন, পীরজাদা শাহ্ মো. আব্দুল খালেক (রহঃ), পীরজাদা শাহ্ সূফী হযরত মো. আব্দুল মালেক (রহঃ) এবং বর্তমান গদিনশীন পীরে কামেল শাহ্ সূফী হযরত মো. আব্দুস সাদেক (দাঃ বাঃ) যাঁর হাজার হাজার আশেকান, ভক্ত বৃন্দ সারাদেশে।
শাহ্ মো. ফজলে খুদা (লিপটন) নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার কেন্দুয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ছয়আনী পীর বাড়ি খ্যাত (টেঙ্গুরী) গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম শাহ্ মরহুম আব্দুল মালেক।
শাহ্ মো. ফজলে খুদা (লিপটন) নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার কেন্দুয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ছয়আনী পীর বাড়ি খ্যাত (টেঙ্গুরী) গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম শাহ্ মরহুম আব্দুল মালেক।উল্লেখ্য, শাহ্ মো. ফজলে খুদা (লিপটন) ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত সং ও মেধাবী। তিনি অসহায় দুস্থ, গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের সহযোগিতা করে থাকেন।
