১৯ দিনেই দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রেমিট্যান্স

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:56:41 am, Monday, 20 April 2026
  • 30 Time View

দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ২৫ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকার সমান (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের একই সময়ে প্রায় ৪০ কোটি ৮০ লাখ ডলার বেশি এসেছে, যা টাকার অঙ্কে প্রায় চার হাজার ৯৭৮ কোটি।

এর আগে চলতি বছরের মার্চে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল ২০২৫ সালের মার্চে ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার এবং একই বছরের ডিসেম্বরে আসে ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স ছিল ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার, যা চতুর্থ সর্বোচ্চ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রভাব বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে পড়েছে। ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিনিময় হার বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে প্রবাসীরা দেশে পাঠানো অর্থের বিপরীতে তুলনামূলক বেশি টাকা পাচ্ছেন—যা রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

যদিও অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করতে পারে। এ পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখা এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

১ কোটি ৭০ লাখের ঘরে পরীমণি, পিছিয়ে গেল সাকিব

১৯ দিনেই দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রেমিট্যান্স

Update Time : 11:56:41 am, Monday, 20 April 2026

দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ২৫ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকার সমান (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের একই সময়ে প্রায় ৪০ কোটি ৮০ লাখ ডলার বেশি এসেছে, যা টাকার অঙ্কে প্রায় চার হাজার ৯৭৮ কোটি।

এর আগে চলতি বছরের মার্চে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল ২০২৫ সালের মার্চে ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার এবং একই বছরের ডিসেম্বরে আসে ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স ছিল ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার, যা চতুর্থ সর্বোচ্চ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রভাব বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে পড়েছে। ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিনিময় হার বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে প্রবাসীরা দেশে পাঠানো অর্থের বিপরীতে তুলনামূলক বেশি টাকা পাচ্ছেন—যা রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

যদিও অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করতে পারে। এ পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখা এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।