বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম, শেয়ারবাজারে অস্থিরতা

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:03:07 am, Wednesday, 22 April 2026
  • 95 Time View

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেনি, বরং বেড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও অস্থিরতা দেখা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হয়েছে। তবে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আগের মতোই থাকবে।

যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই ঘোষণা এলেও বাজারে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বরং অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে পতন দেখা যায়। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক প্রায় ২৯৩ পয়েন্ট কমে যায়। প্রযুক্তিভিত্তিক নাসডাক কম্পোজিট সূচকও একই হারে কমেছে।

অন্যদিকে তেলের বাজারে দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম দিনের শুরুতে কম থাকলেও পরে বেড়ে প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল দাম দাঁড়ায় প্রায় ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলার, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ শতাংশের বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি থাকলেও পরিস্থিতি এখনো স্থিতিশীল নয়। অবরোধ, উত্তেজনা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তাই তেলের দাম ও শেয়ারবাজারে প্রভাব ফেলছে।
 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

১ কোটি ৭০ লাখের ঘরে পরীমণি, পিছিয়ে গেল সাকিব

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম, শেয়ারবাজারে অস্থিরতা

Update Time : 05:03:07 am, Wednesday, 22 April 2026

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেনি, বরং বেড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও অস্থিরতা দেখা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হয়েছে। তবে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আগের মতোই থাকবে।

যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই ঘোষণা এলেও বাজারে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বরং অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে পতন দেখা যায়। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক প্রায় ২৯৩ পয়েন্ট কমে যায়। প্রযুক্তিভিত্তিক নাসডাক কম্পোজিট সূচকও একই হারে কমেছে।

অন্যদিকে তেলের বাজারে দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম দিনের শুরুতে কম থাকলেও পরে বেড়ে প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল দাম দাঁড়ায় প্রায় ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলার, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ শতাংশের বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি থাকলেও পরিস্থিতি এখনো স্থিতিশীল নয়। অবরোধ, উত্তেজনা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তাই তেলের দাম ও শেয়ারবাজারে প্রভাব ফেলছে।