অন্যের ব্যথা বুঝতে না পারলে সুস্থ সমাজ গড়া সম্ভব নয়: ডিসি জাহিদ

  • Reporter Name
  • Update Time : 09:40:49 pm, Tuesday, 28 July 2026
  • 1 Time View
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
মানুষের মধ্যে দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও সামাজিক সচেতনতা গড়ে না তুললে শুধু চিকিৎসাসেবা দিয়ে সুস্থ সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, একজন মানুষ যখন শুধু নিজের নয়, অন্যের কষ্টও অনুভব করতে শেখে, তখনই সে প্রকৃত মানুষে পরিণত হয়। সমাজে অপরাধ, মাদকাসক্তি ও নানা রোগব্যাধি কমাতে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্র—সব পর্যায়ে দায়িত্বশীলতার বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উপলক্ষে ‘হেপাটাইটিস: আসুন, বাধা ভেঙে এগিয়ে যাই’ প্রতিপাদ্যে চট্টগ্রামের লালখান বাজারে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লিভার কেয়ার সোসাইটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, একটি সুস্থ সমাজ গঠনের চিন্তা শুরু হওয়া উচিত পরিবার থেকেই। একজন মা গর্ভধারণের সময় থেকে একটি শিশুর বেড়ে ওঠার প্রতিটি ধাপে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ নিশ্চিত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের অবহেলার কারণেই অনেক তরুণ ধীরে ধীরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এই সামাজিক অবক্ষয় শুধু অপরাধই বাড়াচ্ছে না, বিভিন্ন জটিল রোগের বিস্তারেও ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, ‘মানুষ যখন নিজের ব্যথা বোঝে, তখন সে জীবিত। আর যখন অন্যের ব্যথা বোঝে, তখন সে প্রকৃত মানুষ।’ সমাজের প্রতিটি ব্যক্তি যদি নিজের দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিক দায়িত্বও পালন করেন, তাহলে অপরাধ, মাদকাসক্তি ও সামাজিক সংকট অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
জেলা প্রশাসক বলেন, পৃথিবীতে মানুষের প্রয়োজন মেটানোর মতো সম্পদ রয়েছে, কিন্তু মানুষের লোভ মেটানোর মতো সম্পদ নেই। তাই দায়িত্বশীলতা, সংযম ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার কোনো বিকল্প নেই।
উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত সাফল্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক বড় বড় ডিগ্রি আছে। কিন্তু যদি সেই শিক্ষার প্রভাব সমাজে না পড়ে, যদি অপরাধ, মাদকাসক্তি কিংবা রোগীর সংখ্যা না কমে, তাহলে সেই ডিগ্রির মূল্য কোথায়?’ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য তখনই অর্থবহ হবে, যখন তার ইতিবাচক প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনে প্রতিফলিত হবে।
স্বাস্থ্যসচেতনতার প্রসঙ্গ তুলে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতিদিন লিভার, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষ তাঁর কাছে সহায়তার জন্য আসেন। আবেদনকারীদের বড় একটি অংশ কিডনি রোগে আক্রান্ত। খাদ্যাভ্যাস, পরিবেশ ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
সাম্প্রতিক জেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদাহরণ তুলে তিনি বলেন, গত শনিবার চট্টগ্রাম জেলায় ৬ হাজার ২০০ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর অংশগ্রহণে পরিচালিত অভিযানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ থেকে ১৩৫ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই এসব বর্জ্য জমে ছিল। শুধু বাইরের পরিবেশ নয়, মানুষের মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়ই অন্যের ভুল নিয়ে ব্যস্ত থাকি, কিন্তু নিজের দায়িত্ব পালন করছি কি না, তা নিয়ে আত্মসমালোচনা করি না। বাইরে আলোকিত করলেই হবে না, ভেতরটাও আলোকিত হতে হবে।’
আগামী প্রজন্মের প্রসঙ্গ টেনে জেলা প্রশাসক বলেন, রাষ্ট্রের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, মানবিক ও দায়িত্বশীল সমাজ গড়ে তোলার দায়িত্বও বর্তমান প্রজন্মের। প্রয়োজনে প্রচলিত চিন্তার বাইরে গিয়ে (‘আউট অব দ্য বক্স’) কাজ করতে হবে। প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
লিভার কেয়ার সোসাইটির কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে হেপাটাইটিস ও লিভারের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের প্রধান ও লিভার কেয়ার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। তিনি উপস্থাপনায় বলেন, দেশে আনুমানিক এক কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাসে আক্রান্ত। প্রতিবছর ২০ হাজারের বেশি মানুষ এ রোগে মারা যান। আক্রান্তদের প্রায় ৯০ শতাংশই নিজেদের রোগ সম্পর্কে জানেন না। অথচ লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যানসারের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসই প্রধান কারণ।
আলোচনা শেষে উপস্থিত রোগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে চিকিৎসকেরা হেপাটাইটিস বি ও সি শনাক্তে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মোহাম্মদ একরাম হোসেন। সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও লিভার কেয়ার সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ডা. তারেক শামস। এতে চিকিৎসক, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং লিভার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

১ কোটি ৭০ লাখের ঘরে পরীমণি, পিছিয়ে গেল সাকিব

অন্যের ব্যথা বুঝতে না পারলে সুস্থ সমাজ গড়া সম্ভব নয়: ডিসি জাহিদ

Update Time : 09:40:49 pm, Tuesday, 28 July 2026
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
মানুষের মধ্যে দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও সামাজিক সচেতনতা গড়ে না তুললে শুধু চিকিৎসাসেবা দিয়ে সুস্থ সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, একজন মানুষ যখন শুধু নিজের নয়, অন্যের কষ্টও অনুভব করতে শেখে, তখনই সে প্রকৃত মানুষে পরিণত হয়। সমাজে অপরাধ, মাদকাসক্তি ও নানা রোগব্যাধি কমাতে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্র—সব পর্যায়ে দায়িত্বশীলতার বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উপলক্ষে ‘হেপাটাইটিস: আসুন, বাধা ভেঙে এগিয়ে যাই’ প্রতিপাদ্যে চট্টগ্রামের লালখান বাজারে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লিভার কেয়ার সোসাইটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, একটি সুস্থ সমাজ গঠনের চিন্তা শুরু হওয়া উচিত পরিবার থেকেই। একজন মা গর্ভধারণের সময় থেকে একটি শিশুর বেড়ে ওঠার প্রতিটি ধাপে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ নিশ্চিত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের অবহেলার কারণেই অনেক তরুণ ধীরে ধীরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এই সামাজিক অবক্ষয় শুধু অপরাধই বাড়াচ্ছে না, বিভিন্ন জটিল রোগের বিস্তারেও ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, ‘মানুষ যখন নিজের ব্যথা বোঝে, তখন সে জীবিত। আর যখন অন্যের ব্যথা বোঝে, তখন সে প্রকৃত মানুষ।’ সমাজের প্রতিটি ব্যক্তি যদি নিজের দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিক দায়িত্বও পালন করেন, তাহলে অপরাধ, মাদকাসক্তি ও সামাজিক সংকট অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
জেলা প্রশাসক বলেন, পৃথিবীতে মানুষের প্রয়োজন মেটানোর মতো সম্পদ রয়েছে, কিন্তু মানুষের লোভ মেটানোর মতো সম্পদ নেই। তাই দায়িত্বশীলতা, সংযম ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার কোনো বিকল্প নেই।
উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত সাফল্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক বড় বড় ডিগ্রি আছে। কিন্তু যদি সেই শিক্ষার প্রভাব সমাজে না পড়ে, যদি অপরাধ, মাদকাসক্তি কিংবা রোগীর সংখ্যা না কমে, তাহলে সেই ডিগ্রির মূল্য কোথায়?’ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য তখনই অর্থবহ হবে, যখন তার ইতিবাচক প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনে প্রতিফলিত হবে।
স্বাস্থ্যসচেতনতার প্রসঙ্গ তুলে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতিদিন লিভার, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষ তাঁর কাছে সহায়তার জন্য আসেন। আবেদনকারীদের বড় একটি অংশ কিডনি রোগে আক্রান্ত। খাদ্যাভ্যাস, পরিবেশ ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
সাম্প্রতিক জেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদাহরণ তুলে তিনি বলেন, গত শনিবার চট্টগ্রাম জেলায় ৬ হাজার ২০০ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর অংশগ্রহণে পরিচালিত অভিযানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ থেকে ১৩৫ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই এসব বর্জ্য জমে ছিল। শুধু বাইরের পরিবেশ নয়, মানুষের মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়ই অন্যের ভুল নিয়ে ব্যস্ত থাকি, কিন্তু নিজের দায়িত্ব পালন করছি কি না, তা নিয়ে আত্মসমালোচনা করি না। বাইরে আলোকিত করলেই হবে না, ভেতরটাও আলোকিত হতে হবে।’
আগামী প্রজন্মের প্রসঙ্গ টেনে জেলা প্রশাসক বলেন, রাষ্ট্রের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, মানবিক ও দায়িত্বশীল সমাজ গড়ে তোলার দায়িত্বও বর্তমান প্রজন্মের। প্রয়োজনে প্রচলিত চিন্তার বাইরে গিয়ে (‘আউট অব দ্য বক্স’) কাজ করতে হবে। প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
লিভার কেয়ার সোসাইটির কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে হেপাটাইটিস ও লিভারের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের প্রধান ও লিভার কেয়ার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। তিনি উপস্থাপনায় বলেন, দেশে আনুমানিক এক কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাসে আক্রান্ত। প্রতিবছর ২০ হাজারের বেশি মানুষ এ রোগে মারা যান। আক্রান্তদের প্রায় ৯০ শতাংশই নিজেদের রোগ সম্পর্কে জানেন না। অথচ লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যানসারের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসই প্রধান কারণ।
আলোচনা শেষে উপস্থিত রোগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে চিকিৎসকেরা হেপাটাইটিস বি ও সি শনাক্তে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মোহাম্মদ একরাম হোসেন। সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও লিভার কেয়ার সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ডা. তারেক শামস। এতে চিকিৎসক, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং লিভার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।