কালাইয়ে পুকুরে কীটনাশক দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ, ৭-৮ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি
জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
জয়পুরহাটের কালাইয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে একটি পুকুরে ক্ষতিকারক কীটনাশক প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন পুকুরের মালিক শফিউল আজম বিকাশ।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মোলামগাড়িহাট এলাকার টেংরা পুকুরে। প্রায় ৬০ শতাংশ আয়তনের পুকুরটির মালিক মোলামগাড়িহাট গ্রামের মো. মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে শফিউল আজম বিকাশ।
পুকুরের মালিক ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত (২২ আগস্ট) শনিবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কে বা কারা পুকুরে ক্ষতিকারক কীটনাশক প্রয়োগ করে। এর কিছুক্ষণ পর থেকেই পুকুরের রুই, কাতলা, মৃগেল, সিলভার কার্প, কাপ কার্প, পুঁটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে পানিতে ভেসে উঠতে থাকে।
মাছ মরে ভেসে ওঠার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন পুকুরে নেমে ভেসে ওঠা মাছ ধরে নিয়ে যান। স্থানীয়রা আরো জানায়, এসব মাছের কিছু অংশ বাজারেও বিক্রি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পুকুরের মালিক শফিউল আজম বিকাশ অভিযোগ করে বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে আমার পুকুরে কীটনাশক প্রয়োগ করে মাছ নিধন করা হয়েছে। এতে আমার প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
পুকুরের পাহারাদার আব্দুল মজিদ বলেন, তিনি প্রায় ১৬ বছর ধরে পুকুরটি পাহারা দিয়ে আসছেন। এর আগে কখনো এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। তার ধারণা, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা পুকুরে কীটনাশক প্রয়োগ করেছে। পূর্বশত্রুতার জেরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একটি পুকুরে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে কালাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুল আলম
বলেন, এ বিষয়ে আমরা অবগত নয় তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
