জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রস্তাব গৃহীত

  • Reporter Name
  • Update Time : 04:54:16 pm, Saturday, 25 July 2026
  • 6 Time View

সংবাদ সংযোগ ডেস্ক:- সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি (Culture of Peace) বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির বাস্তবায়নের অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে প্রস্তাবটি পাস হয়।

প্রস্তাবটি উপস্থাপনকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে অব্যাহত সংলাপ, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার অপরিহার্য। তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা ও বিভাজনের পরিবর্তে সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম উদ্যোগে জাতিসংঘে এই প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছিল। বিগত প্রায় আড়াই দশক ধরে প্রস্তাবটি বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা, অহিংসার মূল্যবোধ, সংঘাত প্রতিরোধ ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে জাতিসংঘের একটি প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

১ কোটি ৭০ লাখের ঘরে পরীমণি, পিছিয়ে গেল সাকিব

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রস্তাব গৃহীত

Update Time : 04:54:16 pm, Saturday, 25 July 2026

সংবাদ সংযোগ ডেস্ক:- সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি (Culture of Peace) বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির বাস্তবায়নের অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে প্রস্তাবটি পাস হয়।

প্রস্তাবটি উপস্থাপনকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে অব্যাহত সংলাপ, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার অপরিহার্য। তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা ও বিভাজনের পরিবর্তে সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম উদ্যোগে জাতিসংঘে এই প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছিল। বিগত প্রায় আড়াই দশক ধরে প্রস্তাবটি বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা, অহিংসার মূল্যবোধ, সংঘাত প্রতিরোধ ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে জাতিসংঘের একটি প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে।