বর্তমানে ১৩৮ দেশে পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয় : পাটমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : 06:31:21 am, Thursday, 9 April 2026
  • 20 Time View

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৩৮টি দেশে পাটজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয় বলে সংসদকে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস‌্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান তিনি।

তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৩৮টি দেশে পাটজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয়। দেশগুলো হলো— চীন, ইরান, স্পেন, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইটালী, পাপুয়া নিউগিনি, তুরস্ক, মিশর, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, ভারত, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, জাপান, জার্মানী, অস্ট্রেলিয়া, লিবিয়া, ডেনমার্ক, ব্রাজিল, হল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, হাংগেরী, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, চিলি, রোমানিয়া, কানাডা, পেরু, শ্রীলংকা, রাশিয়া, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, উজবেকিস্তান, নেপাল, তিউনেশিয়া, আইভরি কোস্ট ও থাইল্যান্ড।

পাটমন্ত্রী জানান, পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) পিএলসি দেশের বাহিরে বিভিন্ন মেলা, সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করছে। এছাড়া উদ্যোক্তাদের রপ্তানির সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বহুমুখী পাটপণ্য রপ্তানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, এক্সপোর্ট ডকুমেনটেশন প্রশিক্ষণ, এক্সপোর্ট সার্টিফিকেশন, ডিজাইন ডেভলপমেন্ট, প্রডাক্ট ডেভলপমেন্ট, পণ্যের গুণগতমান উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সচেতনতা কর্মশালা, ক্রেতা-বিক্রেতা সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ফলে পাটজাত পণ্যের রপ্তানি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে পাটপণ্য রপ্তানির পরিমাণ ৭ লাখ ৫১ হাজার ৭৩৯ টন এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাটপণ্য রপ্তানির পরিমাণ ৪ লাখ ৯ হাজার ৩৬৬ টন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বৈচিত্র্য, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং কাঁচাপাটের গুণগত মান উন্নয়নে ঢাকা ও খুলনার দুটি পাটপণ্য পরীক্ষাগার আধুনিকায়ন এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও বীজ উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মানসম্মত পাটজাত পণ্য রপ্তানি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া পাটজাত পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধিতে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক রপ্তানিকারকদের নগদ ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

১ কোটি ৭০ লাখের ঘরে পরীমণি, পিছিয়ে গেল সাকিব

বর্তমানে ১৩৮ দেশে পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয় : পাটমন্ত্রী

Update Time : 06:31:21 am, Thursday, 9 April 2026

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৩৮টি দেশে পাটজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয় বলে সংসদকে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস‌্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান তিনি।

তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৩৮টি দেশে পাটজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয়। দেশগুলো হলো— চীন, ইরান, স্পেন, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইটালী, পাপুয়া নিউগিনি, তুরস্ক, মিশর, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, ভারত, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, জাপান, জার্মানী, অস্ট্রেলিয়া, লিবিয়া, ডেনমার্ক, ব্রাজিল, হল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, হাংগেরী, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, চিলি, রোমানিয়া, কানাডা, পেরু, শ্রীলংকা, রাশিয়া, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, উজবেকিস্তান, নেপাল, তিউনেশিয়া, আইভরি কোস্ট ও থাইল্যান্ড।

পাটমন্ত্রী জানান, পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) পিএলসি দেশের বাহিরে বিভিন্ন মেলা, সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করছে। এছাড়া উদ্যোক্তাদের রপ্তানির সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বহুমুখী পাটপণ্য রপ্তানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, এক্সপোর্ট ডকুমেনটেশন প্রশিক্ষণ, এক্সপোর্ট সার্টিফিকেশন, ডিজাইন ডেভলপমেন্ট, প্রডাক্ট ডেভলপমেন্ট, পণ্যের গুণগতমান উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সচেতনতা কর্মশালা, ক্রেতা-বিক্রেতা সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ফলে পাটজাত পণ্যের রপ্তানি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে পাটপণ্য রপ্তানির পরিমাণ ৭ লাখ ৫১ হাজার ৭৩৯ টন এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাটপণ্য রপ্তানির পরিমাণ ৪ লাখ ৯ হাজার ৩৬৬ টন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বৈচিত্র্য, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং কাঁচাপাটের গুণগত মান উন্নয়নে ঢাকা ও খুলনার দুটি পাটপণ্য পরীক্ষাগার আধুনিকায়ন এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও বীজ উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মানসম্মত পাটজাত পণ্য রপ্তানি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া পাটজাত পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধিতে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক রপ্তানিকারকদের নগদ ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।