বেলকুচি পৌরসভা মডেল পৌরসভা গড়তে চান হাজী আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল
বেলকুচি ( সিরাজগঞ্জ ) প্রতিনিধি:- সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভাকে মডেল পৌরসভা গড়তে চান আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল। ২০০৪ সালে বেলকুচি পৌরসভার জন্ম, প্রায় ১৯.৩০বর্গকিলোমিটার(৭.৪৫ বর্গমাইল) ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয়েছে।
যমুনার পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই বেলকুচি পৌরসভা সারে ৮৭ হাজার লোকের বসবাস।জনঘনত্ব ৪.৫০০বর্গকিমি/(১২,০০০/ বর্গমাইল,বেলকুচি পৌর সভাটি মডেল পৌরসভা গড়তে চান জনপ্রিয়তার শীর্ষে হাজী আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল।
১৯৯০ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যোগদানের মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক জীবনের পথচলা শুরু, ১৯৯১সালে বেলকুচি উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয় হাজী আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলকে।১৯৯২ সালে বেলকুচি থানা বিএনপির সম্মেলনের মাধ্যমে থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। ১৯৯৪ সালে রাজনৈতিক দুষ্কৃতিকারীগণ তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমন করেন, সঙ্গে থাকা তার গাড়িখানা দুষ্কৃতিকারীগণ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করলে আওয়ামীলীগের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রজনীগন্ধা সিনেমা হল ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ-র ফলে তিনি অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন।
২০০২ সাল হতে ২০০৪ সাল পযন্ত বেলকুচি উপজেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন, ২০০২ সালে আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল ১ নং বেলকুচি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন যেখানে ৩৭ ভোটের ব্যবধানে কারচুপির মাধ্যমে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
২০০৪ সালে তিনি বেলকুচি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
২০১১ সালে বেলকুচি পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচনে থানা বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, আবারো দ্বিতীয় বারের মতো ষড়যন্ত্রের শিকার হন ফ্যাসিবাদ আওয়ামীলীগের হাতে মাত্র ১৫২ ভোটের ব্যবধান দেখিয়ে ফলাফল উল্টিয়ে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীকে বিজয় ঘোষণা করেন, ২০১৫ সালে থেকে ২০১৯ সাল পযন্ত বেলকুচি উপজেলা শাখা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন, ২০১৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পযন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির আহবায়ক মনোনীত হন হাজী আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল, তিনি বলেন
দীর্ঘ দিন রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকেছি, জনগণের অধিকার আদায়ে জন্য সব-সময় রাজপথে ছিলাম। ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য রাজপথে থাকবো।
আসন্ন পৌর নির্বাচনে দল ও জনগণের সমর্থক পেলে বেলকুচি পৌরসভা মডেল পৌরসভা করবো।
বেলকুচি পৌরসভাটি আমাদের হাতে গড়া হয়েছে। আমার স্বপ্ন আসন্ন পৌর নির্বাচনে পৌর বাসির দোয়া ও সমর্থনে পৌর মেয়র হলে আগামী বেলকুচি পৌর সভাকে মডেল পৌরসভার রুপান্তরিত করব।তিনি আরো বলেন পৌর এলাকায় চুরি-ডাকাতি ইভটিজিং বন্ধর জন্য, পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলো সিসি ক্যামেরা আওতায় আনা হবে। ময়লা-আবর্জনা রাখার জন্য ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ, বিনোদনের জন্য সৌন্দর্য জন্য পৌর পার্ক নির্মাণ। ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য করা হবে পৌর ঈদগাঁ মাঠ, ব্যবসায়ীদের জন্য করা হবে পৌর হকার্স মার্কেট।
পৌর বাজারটিকে আধুনিকভাবে সাজানোর জন্য নেওয়া হবে বিভিন্ন পদক্ষেপ।রাস্তা-ঘাট পৌর এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের কারা হবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্কুল-মাদ্রাসা এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে বেলকুচি পৌর সভাকে এগিয়ে নিবো, আমি বেলকুচি পৌর বাসির সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থকের মাধ্যমে আগামী বেলকুচি পৌর উন্নয়নের হাল ধরার সুযোগ চাই।
