মূল কন্টেন্টে যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ

শিক্ষক নিয়োগ ম্যানেজিং কমিটির হাতে দেয়া আত্মঘাতি: বাংলাদেশ ন্যাপ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬ পঠিত: ২০ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রকান্তরে দুর্নীতিকে উৎ’সাহিত করা। এর ফলে স্বজনপ্রীতি, দলীয় প্রভাব ও ঘুষ-বাণিজ্যের পুরোনো চক্র আবার ফিরে আসবে। জনস্বার্থ বিরোধী এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে শিক্ষক নিয়োগে জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যায়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে কেন্দ্রী, স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে’ বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ দাবী জানিয়েছেন।

তারা বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত দেশের শিক্ষা খাতকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেবে। মেধার মূল্যায়ন ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে এনটিআরসিএর কেন্দ্রীয় সুপারিশ ব্যবস্থা অনেকাংশেই কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। এনটিআরসিএর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ চালু হওয়ায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে ঘুষ, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের সুযোগ অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছিল।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান শর্ত যোগ্য, মেধাবী ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ। নিয়োগ প্রক্রিয়ার দায়িত্ব ম্যানেজিং কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হলে শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাব বিস্তার এবং আর্থিক লেনদেনের সুযোগ তৈরি হবে। বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা ও জটিলতাগুলো দূর করে এনটিআরসিকে আরও স্বচ্ছ, কার্যকর ও বাস্তবমুখী করার পরিবর্তে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হলে অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হতে বাধ্য।’

তারা বলেন, ‘একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয় স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটির হাতে ছেড়ে দিলে যোগ্যতা ও মেধার পরিবর্তে অর্থ, রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং স্থানীয় প্রভাব নিয়োগের প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে। এতে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হাজারো প্রার্থীর মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন হবে না। নিয়োগ প্রত্যাশী তরুণদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। নিয়োগের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা সংকুচিত করে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের হাতে নিয়োগের ক্ষমতা তুলে দিলে শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সংকট আরও গভীর হবে।’

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *