মূল কন্টেন্টে যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ

বিদ্যুৎ সংকটের অন্যতম কারণ গ্যাসের সংকট: তথ্য উপদেষ্টা

মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পঠিত: ১৯ বার

গ্যাসের যে সংকট ছিল সেটি কেটে গেলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, দেশের বিদ্যুৎ সংকটের অন্যতম কারণ গ্যাসের সংকট। গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলে লোডশেডিংয়ের বর্তমান পরিস্থিতি আর থাকবে না বলে আশা করা যায়।

মঙ্গলবার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও দেশে লোডশেডিং ছিল। তবে ঢাকায় তা একেবারেই দেওয়া হয়নি। কারণ ঢাকার মানুষের ‘ভয়েস’ বেশি এবং সামাজিক পুঁজি (সোশ্যাল ক্যাপিটাল) বেশি। ফলে ঢাকার মানুষ লোডশেডিং না দেখায় তাদের মধ্যে একটি বিশেষ ধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে।

লোডশেডিংয়ের পরিমাণ নিয়ে তুলনামূলক তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের শেষ পূর্ণ বছর ছিল ২০২৩ সাল। ২০২৩ ও ২০২৬ সালের জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসের গড় লোডশেডিংয়ের চিত্র তুলনা করলে দেখা যায়, জুন ও জুলাইয়ে ২০২৬ সালে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় কম ছিল।

তিনি বলেন, ২০২৩ সালের জুনে প্রতিদিন গড়ে লোডশেডিং ছিল ৯৬৯ মেগাওয়াট। ২০২৬ সালের জুনে তা দাঁড়ায় ৭৪১ মেগাওয়াটে। একইভাবে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে গড়ে লোডশেডিং ছিল ৬১৩ মেগাওয়াট, যা ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ছিল ৪৬০ মেগাওয়াট।

তবে আগস্টের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। জাহেদ উর রহমান বলেন, ২০২৩ সালের আগস্টে গড় লোডশেডিং ছিল ৩৬০ মেগাওয়াট। কিন্তু ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে ১ হাজার ৫৬৫ মেগাওয়াটে দাঁড়ায়।

‘আগস্টে কী সংকট হয়েছিল’ তা সবাই জানেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই মাসে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ অনেক বেড়েছিল। তবে জুন ও জুলাইয়ে ২০২৬ সালের গড় লোডশেডিং ২০২৩ সালের তুলনায় কম ছিল।

বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জানিয়েছেন, গ্যাসের যে সংকট ছিল সেটি কেটে গেলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। ফলে বর্তমান সংকট আর এতটা প্রকট থাকবে না বলে তারা আশা করছেন।

ঢাকায় লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজধানীতেও কিছুটা সংকট সবাইকে মেনে নেওয়া উচিত। তবে ঢাকা দেশের সবচেয়ে বড় শহর এবং এখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি হওয়ায় বিদ্যুতের ক্ষেত্রে রাজধানী কিছুটা অগ্রাধিকার পেতে পারে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *