মূল কন্টেন্টে যান
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ

সোনাতলায় চক্ষু সেবা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পঠিত: ১ বার

সোনাতলা প্রতিনিধি:- বগুড়ার সোনাতলায় ফ্রন্টলাইন স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য প্রাথমিক চক্ষু সেবা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে সোনাতলার গ্রামীণ চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রে এ ওরিয়েন্টেশনের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মরত ফ্রন্টলাইন স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রাথমিক চক্ষু সেবা, চোখের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে ধারণা, রোগী শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগী রেফারের বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ পর্যায়ে অনেক মানুষ চোখের সমস্যায় আক্রান্ত হলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও চিকিৎসা পান না। মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের চক্ষুস্বাস্থ্য বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে প্রাথমিক চক্ষু সেবা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়াই এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্বাস্থ্যকর্মী ও সাংবাদিকবৃন্দ। তারা এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট উল্লেখ করে বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে চোখের সমস্যা শনাক্ত করা গেলে অনেক জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ ও সর্বাধুনিক চোখের হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত গ্রামীণ জিসি চক্ষু হাসপাতাল, বেতগাড়ী, বগুড়া’র উপশাখা হিসেবে সোনাতলায় গ্রামীণ চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আয়োজকরা জানান, সোনাতলা ও আশপাশের গ্রামীণ এলাকার মানুষ যাতে সহজে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এ কেন্দ্রের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে চোখের সমস্যা শনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে রেফার করার মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণের পথ সহজ করা হচ্ছে।

গ্রামীণ চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রের এ কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে চক্ষুস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে চক্ষু সেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

গ্রামীণ চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র, সোনাতলা, বগুড়া এ ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির আয়োজন করে। প্রকল্পটি আউমুন্ড ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবং অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে। এর সঙ্গে দ্য ফিউচার ভিশন সেন্টার, বাংলাদেশ-এর কার্যক্রমও সম্পৃক্ত রয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *