মূল কন্টেন্টে যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ

ক্ষেতলালে বিএমডিএর গভীর নলকূপে ট্রান্সফরমার চুরি, সেচে শঙ্কা

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ পঠিত: ২১ বার

ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ফোঁপরা (সুজাপুর) মৌজায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) একটি গভীর নলকূপের তিনটি ১০ কেভিএ বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের ভেতরের মূল্যবান তামার যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফলে চলতি আমন মৌসুমে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে তিনটি ট্রান্সফরমার নিচে নামিয়ে সেগুলোর ভেতরের তামার যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে যায়।

প্রায় ২৪ বছর আগে বিএমডিএর উদ্যোগে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে গভীর নলকূপটি স্থাপন করা হলেও বিভিন্ন জটিলতায় দীর্ঘদিন এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। এতে কৃষকদের বাধ্য হয়ে পার্শ্ববর্তী ব্যক্তিমালিকানাধীন ডিপ টিউবওয়েল থেকে বেশি খরচে সেচ নিতে হতো। গত বছর স্থানীয় কৃষকদের উদ্যোগে নতুন পরিচালনা কমিটি গঠনের পর উপজেলা সেচ কমিটি ও বিএমডিএর সহযোগিতায় নলকূপটি পুনরায় চালু করা হয়। কিন্তু চালুর এক বছরের মধ্যেই ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় সেচ কার্যক্রম আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

 

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এলাকায় চুরি বেড়ে গেলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুর্বৃত্তরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তাদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে সরকারি এই সেচ প্রকল্পটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তারা দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার, চুরি হওয়া যন্ত্রাংশ উদ্ধার এবং নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

 

গভীর নলকূপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলী হাসান মিলন বলেন, এটি শুধু ট্রান্সফরমার চুরি নয়, কৃষকদের জীবিকা ও সেচ ব্যবস্থার ওপর সরাসরি আঘাত। দ্রুত তদন্ত, চুরি হওয়া ট্রান্সফরমার উদ্ধার এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

 

ক্ষেতলাল উপজেলা বিএমডিএ কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মদ বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *