মূল কন্টেন্টে যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ

গঙ্গাচড়ায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা দাবি

শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬ পঠিত: ১৯ বার

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় পৈতৃক সম্পত্তি ভাগ-বণ্টন নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, হত্যাচেষ্টা, স্বর্ণালংকার ছিনতাই ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ভুক্তভোগী পরিবার। একই সঙ্গে থানায় মামলা না নেওয়া এবং পরবর্তীতে আদালতে মামলা করায় আসামিদের অব্যাহত প্রাণনাশের হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার অভিযোগ তুলেছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী শরিফুল ইসলামের মেয়ে শারমিন আক্তার। এ সময় ভুক্তভোগী মো. শরিফুল ইসলামসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, উপজেলার গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের পূর্ব মধ্যপাড়া এলাকায় পৈতৃক জমি নিয়ে শরিফুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর আপন ভাই মো. হায়দার আলী, ভাতিজা মো. মেরাজ আলী, মো. আব্দুস সোবহান, মো. হামিদুল ইসলাম ও মো. হযরত বেলালের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর জেরে গত ২১ জুলাই পৈতৃক জমিতে জোরপূর্বক মাপজোখ শুরু করলে শরিফুল ইসলাম প্রতিবাদ জানান।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামিরা লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁকেসহ তাঁর স্ত্রী নাজমিন বেগম ও মেয়ে শারমিন আক্তারকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। হামলার সময় শরিফুলের মেয়ে ও স্ত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়া এবং বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগও করা হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ এজাহার গ্রহণ করেনি। একই দিন বিকেলে গঙ্গাচড়া বাজারের জিরো পয়েন্ট এলাকায় পুনরায় তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংবাদ সম্মেলনে শরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, থানায় মামলা না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে তাঁরা আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতে মামলা করার পর থেকে আসামিরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে। তিনি অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার, মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর ছবুর জানান, ওই ঘটনায় উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দিয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা থাকলেও শরিফুল ইসলাম আর থানায় যোগাযোগ করেননি। তিনি এখনও মামলা করতে চাইলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *