মূল কন্টেন্টে যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ

তাড়াইলে কাচারাস্তা এখুন জন দুর্ভোগ, ভোগান্তিতে তিন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ

শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬ পঠিত: ১৬ বার

স্টাফ রিপোর্টার:- কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার তালজাঙ্গা ইউনিয়নের বান্দুলদিয়া মাদ্রাসা থেকে খালপাড় ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। বর্ষায় বৃষ্টির পানি ও কাদায় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বান্দুলদিয়া, কার্তিকমিলা ও আকুবপুর গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কাদা ও পানি জমে যায়। তৈরি হয় বড় বড় গর্ত। এতে হেঁটে চলাচলের পাশাপাশি অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচলেও সমস্যা হয়। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও রোগীদের।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে কাদা জমে আছে। কোথাও কোথাও তৈরি হয়েছে গভীর গর্ত। ঝুঁকি নিয়ে সড়ক দিয়ে চলাচল করছে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল।
স্থানীয় অটোরিকশাচালকেরা বলেন, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই গাড়ি কাদায় আটকে যায়। এতে সময় নষ্টের পাশাপাশি গাড়ির যন্ত্রাংশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মেরামতে বাড়তি টাকা খরচ করতে হচ্ছে তাঁদের।
স্থানীয় বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মতিউর রহমান ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাজী আব্দুর রশিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় তিন গ্রামের মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সড়কটি পাকাকরণ করা হলে এলাকার মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা অনেক সহজ হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, সড়কের কারণে পণ্য পরিবহনেও সমস্যা হচ্ছে। বর্ষাকালে পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত ব্যয় গুনতে হচ্ছে।
তালজাঙ্গা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য হারিস উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আগে ৪০ দিনের কর্মসূচির আওতায় সড়কটিতে মাটি ভরাটের কাজ হয়েছিল। পরে সড়কটি ইটের সলিং করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনো কাজ শুরু হয়নি।

এলাকাবাসী জানান, সড়কটি সংস্কারের দাবিতে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পপি খাতুনের কাছেও আবেদন করা হয়েছিল। পরে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতারের কাছেও লিখিত আবেদন করা হয়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতার বলেন, ‘সড়কটি উন্নয়নের জন্য তালজাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুমে মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সড়কটির উন্নয়নকাজ দ্রুত শুরু করা হোক। সড়কটি সংস্কার হলে তিন গ্রামের মানুষের চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও সুবিধা হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *