মূল কন্টেন্টে যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পঠিত: ১৬ বার

‎বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল, গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন মৃতঃ মাওলানা মুজিবর রহমান যুক্তিবাদীর দ্বিতীয় স্ত্রী লাবনী আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লাবনী আক্তার জানান, তাঁর স্বামী মাওলানা মুজিবর রহমান যুক্তিবাদী ২০২১ সালে মৃত্যুবরণ করার আগে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে একটি ওসিয়তনামা করে যান। ওসিয়তনামা অনুযায়ী বাগেরহাট সদরের রণবিজয়পুর এলাকায় অবস্থিত বিসমিল্লাহ মাদ্রাসা, মার্কেট ও ৪ তলা বসতবাড়ির মালিকানা তিনি ও তাঁর দুই নাবালক সন্তানকে এবং ঢাকার সম্পত্তি প্রথম স্ত্রী ও তাঁর সন্তানদের দিয়ে যান।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই প্রথম স্ত্রীর সন্তান ও দেবর কাজী বায়েজিদ তাঁদের বাগেরহাটের সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের চক্রান্ত করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকেলে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে দেবর কাজী বায়েজিদ, প্রথম স্ত্রীর ছোট ছেলে এহসান উল্লাহ বহিরাগত সন্ত্রাসী ও মাদ্রাসার কিছু শিক্ষার্থীকে নিয়ে ঘরের তালা ভেঙে প্রবেশ করে। এ সময় তারা ঘরে থাকা মূল্যবান মালামাল ও গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

ঘটনার সময় ১৫-২০ জন লোক অনধিকার প্রবেশ করায় স্থানীয় অধিবাসীদের সন্দেহ হয় এবং তারা মূল গেটে তালা দিয়ে বহিরাগতদের আটকে রাখে। খবর পেয়ে স্বজনদের নিয়ে এসে লাবনী আক্তার পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

‎লাবনী আক্তার আরও উল্লেখ করেন, এর আগেও অবৈধ দখলের চেষ্টার বিরুদ্ধে তিনি আদালতে মামলা করেছেন, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় শালিস বৈঠকে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো জবরদস্তি না করার সিদ্ধান্ত থাকলেও তা মানছে না প্রতিপক্ষ। তিনি তাঁর দুই নাবালক সন্তানকে নিয়ে নিজের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *