লোহাগাড়ায় দুই হাজার পিস ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২
চট্টগ্রাম জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিয়মিত চেকপোস্ট স্থাপন, যানবাহনে তল্লাশি এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অপরাধবিরোধী কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং, রাত ০১টা ২০ মিনিটের সময় লোহাগাড়া থানাধীন চুনতী রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে চেকপোস্ট পরিচালনাকালে একটি Foton পিকআপ (রেজিঃ চট্টগ্রাম মেট্রো-ন-১২-০৬৩৪) আটক করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ সদস্যরা গাড়িটি তল্লাশি করার একপর্যায়ে আটককৃতদের দেখানো মতে এবং তাদের নিজ হাতে বের করে দেওয়ার ভিত্তিতে চালকের সিটের পিছনের পকেটে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় সাদা পলিথিনে মোড়ানো একটি পুটলা উদ্ধার করেন।
উক্ত পুটলার ভিতর থেকে ২,০০০ (দুই হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৭.৬৫ মিমি “Made in USA” খোদাইকৃত একটি সচল পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১। মোঃ তারেকুল ইসলাম (২৬) পিতা- মোঃ আবুল কালাম ও ২। মোঃ রাশেদুল ইসলাম প্রকাশ রুবেল (৩৮) পিতা- আহম্মেদ আলী
সাং- খুরুসকুল, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- সদর, জেলা- কক্সবাজারকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা কক্সবাজারের কুরুশকুল এলাকা থেকে চট্টগ্রাম নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজারে যাওয়ার কথা ছিল। তারা একই এলাকার জনৈক মামুনের সঙ্গে পরস্পর যোগসাজশে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্র পরিবহন করছিল।মামুন উক্ত মাদক ও অস্ত্র গ্রহণের উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে বাসযোগে চট্টগ্রাম শহরে চলে যায়। পলাতক মামুনকে গ্রেফতার এবং তার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের নির্দেশনায় মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে নিয়মিত চেকপোস্ট, তল্লাশি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।
এ ঘটনায় উদ্ধারকৃত মাদক ও অস্ত্রের বিষয়ে প্রচলিত আইনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
