ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব
সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। একই সঙ্গে শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তাদের প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিতে হবে।
এ ছাড়া সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, কমিউনিটির সহনশীলতা, সামাজিক সংহতি ও শান্তি বিনির্মাণে নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত খান বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। এমনকি তাদের জীবন ও ভবিষ্যৎসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও নারীরা প্রায়ই উপেক্ষিত থাকেন।
তিনি শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়সহ দেশের নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।
