জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান পদে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস
জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদে যোগ দেন। গত ১৬ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
আফরোজা আব্বাস বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের (মির্জা আব্বাস) সহধর্মিণী।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় মহিলা সংস্থা আইন, ১৯৯১-এর ৮(১) ও ৮(২) ধারার ক্ষমতাবলে আফরোজা আব্বাসকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে ১৬ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আফরোজা আব্বাস। তবে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সরকার প্রয়োজনবোধে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবে। একইভাবে আফরোজা আব্বাসও সরকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারবেন। এ নিয়োগ অবৈতনিক।
জাতীয় মহিলা সংস্থা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। নারী উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নারীদের আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়াতে সংস্থাটি বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।
নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলার ক্ষেত্রে জাতীয় মহিলা সংস্থার কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। নতুন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এসব কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করার প্রত্যাশা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
আফরোজা আব্বাসকে চেয়ারম্যান নিয়োগের বিষয়টি গত জুনে প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসে। তবে সরকারি প্রজ্ঞাপনে নিয়োগের ভিত্তি হিসেবে জাতীয় মহিলা সংস্থা আইন, ১৯৯১-এর সংশ্লিষ্ট ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে আফরোজা আব্বাসের দুই বছরের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
